কিভাবে 'লাইলাতুল্ কদর' এর ইবাদত করবেন - Best Solution Online Blog Website, Bestsolution Online , Online Earning and English Learning And All Movitioanal Post We will Provide For Your, How To success your Life Make Your Solution Via Our Media Platform With Our All User Take Your Solution,

January 26, 2020, 3:05 am

কিভাবে ‘লাইলাতুল্ কদর’ এর ইবাদত করবেন

কিভাবে ‘লাইলাতুল্ কদর’ এর ইবাদত করবেন



বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি

‘লাইলাতুল্ কদর’ রমজানের এক মহান্বিত রাত।এক পবিত্র রাত যে রাতের ইবাদত হাজারও রাতের ইবাদতের সমান।মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন এই রাত এক হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।অর্থাৎ এক রাতের ইবাদত যা এক হাজার রাতের ইবাদতের চেয়েও অনেক উত্তম।তাই সবার উচিত এই রাতে আল্লাহকে খুশি করে,তার ইবাদতে মুশকুল থেকে,বিগত সকল গুনাহ থেকে মুক্তি পেতে আল্লাহর দরবারে ভিক্ষা চাওয়া।এই রাতে ইবাদতই আমাদের এক মাএ উদ্দেশ্য হাওয়া উচিত।ইবাদত যা শুধুমাএ আল্লাহ তায়ালাকে সন্তুষ্ট করা।

  কোন রাতটি লাইলাতুল কদর

সাধারণত রমজানের শেষ দশরাতের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর তালাশ করা দরকার।

কেননা রাসুল সাল্লাল্লাহু বলেছেন,”তোমরা রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর খোঁজ কর”।(বুখারি)।তবে শেষ ১০ দিনের সপ্তম দিনে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কেননা উবাই ইবনে কাব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হাদীসে এসেছে,”আল্লাহর শপথ করে বলছি,আমি যতদূর জানি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যে রজনীকে কদরের রাত হিসেবে কিয়ামুল্লাইল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন তা হল রমাযানের ২৭ তম রাত”।(মুসলিম)

তাছাড়া কদরের রাত হওয়ার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ২৫ রমজান,তৃতীয় ২৯ রমজান,চতুর্থ ২১ রমজান,আর পঞ্চম হলো ২৩ রমজানের রজনী।

কেন এই রাতকে গোপন করা হয়েছে নির্দিষ্ট করা হয়নি

কদরের পুরস্কার লাভ করার জন্য কে কত বেশি সক্রিয় হয়ে আল্লাহর ইবাদতে মুশগুল থাকে। এবং কে কত বেশি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য না ঘুমিয়ে আল্লাহর ইবাদতে মুশগুল থাকতে পারে সম্ভবতঃ তা পরখ করার জন্য এই রাতকে অস্পষ্ট করা হয়েছে।

 

আসুন দেখেনি কিভাবে এই রাতে ইবাদত করা যায়

১.এই দিনে ফরয নামাজ অর্থাৎ দিনের পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ জামায়েতর সঙ্গে আদায় করা।তার সাথে সাথে সুন্নতে মুআক্কাদা, তাহিয়্যাতুল মসজিদ সহ অন্যান্য মাসনূন নামায আদায় করা।

 

২.ইশার নামাজ আদায় করার পর, অর্থাৎ সবশেষে ব্যক্তি চাইলে একা একা অতিরিক্ত নফল নামাজ আদায় করা।

৩.বেশি বেশি দুয়া পাঠ করা।তন্মধ্যে এই দোয়াটি বেশি পাঠ করা:”আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল্ আফওয়া ফা’ফু আন্নী”।

৪.যিকর আযকার ও তাসবীহ তাহলীল করা।যেমন:“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”, “আল্ হামদু ল্লিল্লাহ” “সুবহানাল্লাহ”, “আল্লাহুআকবার” “আস্তাগফিরুল্লাহ”, “লা হাওলা ওয়ালা কুউআতা ইল্লা বিল্লাহ”। ইত্যাদি

৫.বেশি বেশি কুনআন তিলাওয়াত করা।এই দিনে আল্লাহর পবিত্র গ্রন্থ কুরআন তিলাওয়াত করা অতি উত্তম। তাছাড়া কুরঅানের একটি অক্ষর তিলাওয়াতে দশটি নেকি পাওয়া যায়।যা আমাদের নেকির পাল্লাকে ভারী করে।এতে আল্লাহ তায়ালাও ভীষণ খুশি হন।

৬.সাধ্যমত আল্লাহর রাস্তায় কিছু দান-সাদকা করা।শবে কদরের একটি রাতে এই রকম ইবাদতের মাধ্যমে আপনি ৮৩বছর ৪ মাসের সমান সওয়াব অর্জন করতে পারেন। ইবাদতের এই সুবর্ণ সুযোগ যেন হাত ছাড়া না হয়। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন। আমীন

আমি চেস্টা করেছি শুধুমাএ কিছুটা আইডিয়া দিতে।আল্লাহ তায়ালা জেনও আমাদের বিগত বছরের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন।আমিন!

আমার জন্য দোয়া করবেন।নিজে ভালো থাকুন এবং নিজেকে আল্লাহর ইবাদতে মুশগুল রাখুন।কিছু ভুল হলে ছোট ভাই হিসেবে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

আল্লাহ-হাফেজ

 

Youtube channel

 

ইসলামিক এবং আশ্চর্যকর সব ভিডিও পেতে Subscribe করুন আমাদের অন্য একটি চ্যানেল:https://www.youtube.com/channel/UCt6VhzSlEk7sY19cOTF8FHQ

 

 

 

 

Please share the Post




Leave a Reply



Copyright © 2019 - Bestsolution all rights reserved
Translate »